একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে প্রস্তাব-একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির কংগ্রেসে প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টে মার্কিন কংগ্রেসে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি তুলে নতুন একটি প্রস্তাব তোলা হয়েছে।
এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের দুই প্রভাবশালী সদস্য। প্রস্তাবে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত সংঘটিত নৃশংসতাকে 'গণহত্যা' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে এবং এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবি জানানো হয়েছে।
কংগ্রেসম্যানরা উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই মানবতাবিরোধী অপরাধের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সেভাবে মেলেনি। এই প্রস্তাব পাস হলে তা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক বিজয় হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও এ ব্যাপারে আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রস্তাব আরও কয়েকটি দেশের পার্লামেন্টে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
কংগ্রেসম্যানরা উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই মানবতাবিরোধী অপরাধের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সেভাবে মেলেনি। এই প্রস্তাব পাস হলে তা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক বিজয় হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও এ ব্যাপারে আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রস্তাব আরও কয়েকটি দেশের পার্লামেন্টে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
কংগ্রেসম্যানরা উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই মানবতাবিরোধী অপরাধের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সেভাবে মেলেনি। এই প্রস্তাব পাস হলে তা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক বিজয় হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও এ ব্যাপারে আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হবে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রস্তাব আরও কয়েকটি দেশের পার্লামেন্টে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
